দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সংরক্ষণ ও পরিচর্যার পর পদ্মগোখরার ১৪টি ডিম থেকে বাচ্চা ফুটেছে। উপজেলার পাখিমারা বাজার এলাকার একটি অ্যানিমেল শেডে ৪৬ দিন ধরে পরিচর্যার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ডিমগুলো থেকে একে একে বাচ্চা বের হয়।
এর আগে গত ৪ আগস্ট আমতলীর বান্দা এলাকায় একটি ঘরে সাপ ঢোকার খবর পেয়ে সেখানে উদ্ধার অভিযানে যান ‘অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী’র স্বেচ্ছাসেবক ও সাপ-বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী কাওসার ওরফে ‘হৃদয় সাপ রেস্কিউ’। সাপটির সন্ধান না মিললেও ঘরের ভেতর তিনি পদ্মগোখরার ১৪টি ডিম দেখতে পান।
পরে ডিমগুলো নিরাপদে উদ্ধার করে জেলা প্রশাসনের দেওয়া সংগঠনটির অ্যানিমেল শেডে নেওয়া হয়। সর্প বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সেখানে ডিমগুলো সংরক্ষণ করা হয়। এ সময় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ডিমগুলো নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হয়।
সংগঠনটির কলাপাড়া টিম লিডার বাইজিদ মুন্সি বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর ডিমগুলো থেকে বাচ্চা বের হয়েছে। সাধারণত পদ্মগোখরার ডিম ফুটতে ৬০ থেকে ৭০ দিন সময় লাগতে পারে। তবে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ওপর নির্ভর করে সময় কম-বেশি হতে পারে।
তিনি বলেন, একটি স্ত্রী পদ্মগোখরা সাধারণত ১০ থেকে ৩০টি ডিম দিতে পারে। ডিম ফুটে বের হওয়ার পর থেকেই বাচ্চাগুলো বিষধর থাকে এবং নিজেরা চলাফেরা ও শিকার করতে পারে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও উপকূলীয় বন বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে বাচ্চাগুলোকে উপযুক্ত সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হবে।
কলাপাড়া বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, পদ্মগোখরা বিষধর হলেও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এ সাপের ভূমিকা রয়েছে। উদ্ধার করা বাচ্চাগুলো বন বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। ডিম থেকে ফোটা বাচ্চাগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখে পরে উপযুক্ত পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে।
যে আই